২০২০ সাল থেকে vpvip একটাই লক্ষ্য নিয়ে চলেছে – বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষকে নিরাপদ, সহজ আর মজার বেটিং অভিজ্ঞতা দেওয়া। কোনো রাখঢাক নেই, কোনো জটিলতা নেই।
বাংলাদেশের প্রতিটি বেটরের কাছে বিশ্বমানের অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া – সেটা ঢাকা হোক বা সুন্দরবনের কাছের কোনো গ্রাম।
এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেখানে খেলা হবে আনন্দের, পেমেন্ট হবে নিরাপদ আর তথ্য থাকবে স্বচ্ছ – কোনো লুকানো শর্ত নেই।
প্রতিটি সদস্যের সাথে সৎ আচরণ, দ্রুত পেমেন্ট আর যেকোনো সমস্যায় পাশে থাকা – এটাই vpvip-এর মূল প্রতিশ্রুতি।
গল্পটা ২০১৯ সালের শেষের দিকে। বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং নিয়ে আগ্রহ থাকলেও ভালো বাংলা ভাষার প্ল্যাটফর্ম ছিল না বললেই চলে। মানুষকে ইংরেজিতে বুঝতে হতো, পেমেন্টে ঝামেলা হতো, সাপোর্টে কেউ বাংলায় কথা বলত না। এই সমস্যাগুলো দেখেই কয়েকজন তরুণ প্রযুক্তিপ্রেমী মিলে ঠিক করলেন – বাংলাদেশের মানুষের জন্য বাংলাদেশের মতো একটা প্ল্যাটফর্ম বানাতে হবে।
২০২০ সালে vpvip-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। প্রথম দিন থেকেই সম্পূর্ণ বাংলা ইন্টারফেস, বিকাশে ডিপোজিট ও উইথড্রয়ালের সুবিধা দেওয়া হয়। মাত্র তিন মাসের মধ্যে প্রথম দশ হাজার সদস্য যোগ দেন। সেই থেকে আর থামেনি vpvip।
আজ vpvip বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম। ৮ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য, প্রতিদিন কয়েক লাখ বেট, আর প্রতি মাসে কোটি টাকার বেশি পেমেন্ট বিতরণ – এই সংখ্যাগুলোই বলে দেয় মানুষ কতটা বিশ্বাস করে vpvip-কে।
তবে শুধু সংখ্যা নয়, মানুষের গল্পই আমাদের অনুপ্রাণিত করে। কুমিল্লার কোনো চা-বাগান মালিক যখন ক্রিকেট বিশ্লেষণ পড়ে সঠিক বেট করেন, বা বরিশালের কোনো তরুণ প্রথমবার মোবাইলে বেটিং করে জেতেন – এই মুহূর্তগুলোর জন্যই আমরা প্রতিদিন কাজ করি।
বাংলাদেশের বেটরদের চাহিদা বোঝার পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে গড়ে ওঠা ছয়টি মূল বৈশিষ্ট্য
পাঁচ বছরে অনেক পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু মূল লক্ষ্য একটাই থেকেছে – বাংলাদেশের মানুষের জন্য সেরা বেটিং অভিজ্ঞতা।
vpvip-এর পেছনে আছেন একটি নিবেদিতপ্রাণ দল – প্রযুক্তিবিদ, ক্রীড়া বিশ্লেষক, পেমেন্ট বিশেষজ্ঞ আর গ্রাহকসেবা প্রতিনিধি মিলিয়ে ১৮০-এর বেশি মানুষ।
vpvip শুধু একটি বেটিং প্ল্যাটফর্ম নয় – আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি সদস্যের মানসিক ও আর্থিক সুস্থতা আমাদের দায়িত্বের অংশ। তাই বেটিংকে সবসময় বিনোদনের দৃষ্টিতে দেখার পরামর্শ দিই।
আমাদের রেসপন্সিবল গেমিং টুলের মাধ্যমে আপনি নিজেই আপনার দৈনিক বা সাপ্তাহিক বেটিং সীমা নির্ধারণ করতে পারেন। প্রয়োজন মনে করলে অ্যাকাউন্ট সাময়িক বা স্থায়ীভাবে বন্ধ রাখার সুবিধাও আছে।
বিস্তারিত জানুনআমাদের সম্পর্কে পেজে আসা সাধারণ প্রশ্নগুলো
vpvip-এর টুর্নামেন্ট ও লিডারবোর্ড ইভেন্টে অংশ নিতে হলে প্রথমে একটি যাচাইকৃত অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। প্রতিটি ইভেন্টের নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে এবং সেই সময়ের মধ্যে যত বেশি যোগ্য বেট হবে, লিডারবোর্ডে র্যাংক তত উপরে যাবে। সাধারণত ন্যূনতম ₳৫০০ বা তার বেশি মূল্যের বেট গণনায় আসে – ছোট বেট কাউন্ট নাও হতে পারে।
লিডারবোর্ড পুরস্কার ইভেন্ট শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিজয়ীদের ওয়ালেটে জমা হয়। ফলাফল নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সাপোর্টে জানাতে হবে। প্রতিটি ইভেন্টের বিস্তারিত শর্ত প্রোমোশন পেজে লেখা থাকে – সেটা মনোযোগ দিয়ে পড়ে নেওয়া ভালো।
vpvip সাধারণত উইথড্রয়ালে কোনো প্রক্রিয়াকরণ ফি নেয় না। তবে বিকাশ বা নগদের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নিজস্ব ট্রানজ্যাকশন চার্জ থাকতে পারে – এটা vpvip-এর নিয়ন্ত্রণে নেই।
উইথড্রয়ালের দৈনিক সীমা অ্যাকাউন্টের স্তর অনুযায়ী আলাদা। সাধারণ সদস্যরা প্রতিদিন সর্বোচ্চ ₳৫০,০০০ পর্যন্ত তুলতে পারেন। VIP সিলভার ₳১ লাখ, গোল্ড ₳২ লাখ এবং ডায়মন্ড সদস্যরা প্রতিদিন ₳৫ লাখ পর্যন্ত উইথড্রয়াল করতে পারেন। বড় পরিমাণ (₳১০ লাখের বেশি) তোলার ক্ষেত্রে KYC যাচাই বাধ্যতামূলক, যা সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন হয়।
৮ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি ইতিমধ্যে vpvip বেছে নিয়েছেন। ১০০% স্বাগত বোনাস নিন, আজই শুরু করুন।